Showing posts with label জেলা খবর. Show all posts

চরভদ্রাসনে পদ্মায় অবৈধ বাঁধ; হুমকির মুখে মৎসকুল

নাজমুল হামান নিরব,চরভদ্রাসন(ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ                                            
ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার চরঝাউকান্দা ইউনিয়নের পদ্মা নদী অর্ন্তভুক্ত এলাকায়  অবৈধ বাশের বাধঁ দিয়ে মাছ শিকার করে চলেছেন স্থানীয় প্রভাবশালীরা। গত ১৫ দিন ধরে অবৈধভাবে এ বাধঁ দিয়ে মাছ শিকার করলেও প্রশাসনের নজরে তা এখনও পড়েনি। 
বুধবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার গোপালপুর টু মৈনট ঘাটে যাওয়ার সময় নদীতে প্রায় দুইহাজার মিটার পর্যন্ত আড়াআড়ি ভাবে কয়েক হাজার বাঁশ পুঁতে অবৈধ বাধঁ দেয়া হয়েছে। নদীর মূল প্রবাহে আড়াআড়িভাবে তৈরি করা বাঁেশর বাধেঁর সঙ্গে জাল দিয়ে প্রতিদিন অবৈধ ভাবে মাছ শিকার চলছে। বাধেঁর কারনে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ, মাছের অবাধ বিচরন ও নৌ- চলাচল মারাত্বকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিদিন অবৈধ বাধেঁ জাটকা ইলিশ, রুই, কাতল, চিতল, পাঙ্গাস, বোয়ালসহ জাটকা ইলিশ ধরা পড়ছে।এসময় বাধেঁ অবস্থানরত জেলোরা পালিয়ে যেতে থাকে। 
বাধঁ দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে, উক্ত বাধেঁর মালিক কাসেম মেম্বার বলেন, আমরা বাধঁটি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ও প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই দিয়েছি। দ্রæত বাঁধটি সরিয়ে ফেলব বলে তিনি স্থানীয় সাংবাদিকদের খবর প্রকাশ করতে বারন করেন।
বাধেঁর বিষয়ে জানতে চাইলে চরঝাউাকন্দা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ফরহাদ মৃধা বলেন, পদ্মায় অবৈধ বাধঁ দিয়ে মাছ ধরার বিষয়টি আমি শুনেছি।তবে কে বা কারা করেছে তা এখনও জানিনা। আমি অবৈধ বাধেঁর বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে জানিয়েছি।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মালিক তানভির হোসেন জানান, নদীতে এভাবে অবৈধভাবে বাধঁ দেওয়ার কোন সুযোগ ইেন।১৯৫০ মৎস্য সংরক্ষন আইন অনুযায়ী নদীতে আড়াআড়িভাবে বাধঁ দেওয়া শাস্তিযোগ্য অপরাধঁ। আমরা অতি শিঘ্রই তদন্ত করে দুই,একদিনের মধ্যে বাধঁটির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করব।  
উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা জেসমিন সুলতানা জানান, বাধঁটির বিষয়টি আমি আজকেই জানলাম। আমি এ বিষয়ে মৎস্য কর্মকর্তার সাথে কথা বলেছি। অতি শীঘ্রই আমরা মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বাধেঁর বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চরভদ্রাসনে মা ইলিশ অভিযানে ২৬ জেলের কারাদন্ড

মোঃ মনির হোসেন পিন্টু,চরভদ্রাসন থেকে-
ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে প্রজনন মৌসুমে সরকারের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পদ্মা নদীতে মা ইলিশ শিকারের দায়ে ২৬ জেলেকে ৬ দিন করে বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় অভিযান চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ৩০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ৬০ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়েছে।
বুধবার (২৪অক্টোবর) রাত থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত উপজেলার পদ্মা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে এ অভিযান পরিচালনা করেন জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ বায়েজিদুর রহমান। অভিযানে অন্যান্যর মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মালিক তানভীর হোসেন, ক্ষেত্র সহকারী শামীম আরেফিন, বাবর আলী, চরভদ্রাসন থানার এ.এস.আই মোঃ আজিজুলসহ সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জানান, এসময় আইন অমান্য করে মা ইলিশ শিকার করায় ২৬ জেলেকে দন্ডবিধি ১৮৬০ এর ১৮৮ ধারা লংঘনের দায়ে প্রত্যেককে ৬দিন করে বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়। জব্দ করা কারেন্ট জাল গোপালপুর ঘাটের পদ্মা নদীর তীরে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
এছাড়া জব্দ হওয়া মাছ উপজেলার বিভিন্ন এতিম খানায় ও মাদ্রাসায় বিতরণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

চরভদ্রাসনে শারদীয় দূর্গাপূজার সকল প্রস্তুতি শেষ ,আগামিকাল শুরু

নাজমুল হাসান নিরব, চরভদ্রাসন প্রতিনিধি- ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় হিন্দুধর্মের সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠান দুর্গা পূজার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন।

পুরোদমে দূর্গা পূজার প্রস্তুতি শেষ হওয়ায় উপজেলার সর্বত্র সাজ সাজ রব পরিলক্ষিত হচ্ছে। প্রতিটি পূজা মন্ডপে প্রতিমা তৈরীর কাজ শেষে স্বস্তির নিঃশ্বাশ ফেলছেন দিন রাত ব্যস্ত প্রতিমা ফুটিয়ে তোলার কাজে ব্যাস্ত থাকা মৃৎ শিল্পীরা। সরেজমিনে, রবিবার উপজেলার বিভিন্ন পূজা মন্ডপগুলো ঘুরে দেখা যায়, পূজা পালনে এবছর উপজেলার মোট ১৭টি পূজা মন্ডপে পূজা উদযাপনের ব্যাপক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। উপজেলা পূজা কমিটির সভাপতি রবীন্দ্রনাথ টিকদার জানান, এবছর আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত অনষ্ঠিত হবে শারদীয় দূর্গা পূজা। উপজেলা ত্রান অধিদপ্তর সূত্র থেকে জানা যায়, এবছর উপজেলায় শারদীয় দূর্গা পূজা উদযাপনের লক্ষে প্রতিটি পূজা মন্ডপে সরকারের পক্ষ থেকে ৫০০কেজি করে চাল দেয়া হয়েছে। 
থানা (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা মোঃ হারুন অর রশিদ জানান, এবছর উপজেলায় শারদীয় দূর্গা পূজা উৎসবমূখর পরিবেশে ও শান্তিপূর্ন ভাবে পালনের জন্য ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। প্রতিটি পূজা মন্ডপে আনছার বাহিনীর পাশাপাশি পুলিশের ফোকাল ও ভ্রাম্যমাণ টহল অব্যাহত থাকবে। এছাড়া উপজেলায় পূজা চলাকালীন সময়ে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য বিদ্যুৎ বিভাগের সাথে আমাদের সিনিয়র অফিসারের কথা হয়েছে বলে তিনি জানান। এবার ফরিদপুরের নয় উপজেলায় সাড়ে সাত শতাধিক মন্ডপে দূর্গা পূজা অনুষ্টিত হবে।

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সী বোডে নদী পাড়াপার করা হচ্ছে;অভিযোগ যাত্রীদের !

নাজমুল হাসান নিরব,ফরিদপুর প্রতিনিধি- ফরিদপুর চরভদ্রাসন উপজেলায় জীবনের ঝুকি নিয়ে নদী পাড়াপার হচ্ছে যাত্রীগন।চরভদ্রাসন থেকে ঢাকা যাওয়ার সহজ ও দ্রুততম পথ হলো গোপালপুর-মৈনুট এই নদী পথ। মাত্র ২০ মিনিটে সী বোডে আর ৫০ মিনিটে ট্রলারে এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে সহজেই পৌছানো যায়।সময় বাচানোর জন্য বেশিরভাগ যাত্রীরাই সী বোডে পদ্মা পার হয়।কিন্তু বৃষ্টি ও বর্ষার মৌসুমে পদ্মার চেহারা যেন একটু ভয়ংকর হয়ে ওঠে।পদ্মা ক্ষুদার্থ হয়ে ওঠে।পানির বৃদ্ধি ও গভীরতা বাতাসের সাথে মিশে তৈরী হয় এক ভয়ংকর  ঢেউয়ের।ঢেউয়ের বাড়িতে প্রায় ৫-৬ ফিট উপরে উঠে যায় সী বোর্ড।যেখানে চালকের বিন্দুমাত্র অসতর্কতা ও অসাবধানতার কারনে ডুবে যেতে পারে সী বোড।আর অদক্ষ ও দায়ীত্বহীন চালক দ্বারা আরো হুমকীর মুখে পড়ে যাত্রীদের জীবন।
আজ শনিবার দুপুর তিনটার দিকে মৈনট ঘাট থেকে ৮ জন যাত্রী নিয়ে একটা বোড ছেড়ে আসে গোপালপুর এর উদ্দেশ্যে যেখানে একজন  মেয়ে ছিল।সে একজন ম্যাজিস্ট্রেট ও তার সাথে ছিল সহকর্মী। তারা কখনও এই পথ দিয়ে যাতায়ত করে নাই।নদীর ঢেউ বা পানি সম্পর্কে তাদের কোন ধারনা ছিলনা।বোডটি ৫ মিনিট চলার পড়ে তার সম্পুর্ন ভিজে যায়।এবং প্রচুর ঢেউয়ে তারা ভয় ও পায়।চালকের কাছে লাইফ জ্যাকেট চায়লে চালক লাইফ জ্যাকেট নাই বলে রাগন্বিত হয়ে উত্তর দেয়। 
ঈাড় হয়ে সদর বাজারে সাংবাদিকদের কাছে ঐ যাত্রী মেরিনা দেবী জানান,আমরা কোনদিন এই রাস্তায় আসিনি।তাই কোনকিছু না বুঝে সী বোডে উঠে যাই। প্রথমে ঢেউয়ে পদ্মার পানিতে ভিজতে থাকি, চালককে জানালে সে বলে আমিও তো ভিজতেছি, ঢেউয়ের পরিমান বাড়লে লাইফ জ্যাকেট চাইলে সে নাই বলে জানায়।সে বাজে ভাবে রাগান্বিত হয়ে কথা বলতে থাকে।আমারা যে বেচে ফিরব সেটা ভাবিই নাই।
অপর যাত্রী সুকান্ত হালদার আমাদের জানায়,বিদেশে খারাপ মানুষ দেখেছি কিন্তু বাংলাদেশে যে খারাপ মানুষ আছে তা ঐ ড্রাইভারকে না দেখলে বুঝতাম না।আবার ভাড়াও স্বাভিক এর থেকে বেশী ;২০০ টাকা।সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন আপনারা এর প্রতিবাদ করেন না কেন।তারা উভয় ই আমাদের জানায়,"আমরা কোন পোষাক আনিনাই, সারা শরীর ভেজা এখন এইভাবে ভেজা থাকলেতো আমরা অসুস্থ হয়ে পড়ব।

এ ব্যাপারে   তথ্যের সত্যতা যাচাই করার জন্য ঘাটে গেলে দেখা যায় এখনও লাইফ জ্যাকেটহীন ভাবে সী বোডে যাত্রীরা নদী পারাপার হচ্ছে।এ ব্যাপারে যাত্রী সৌদী প্রবাসি নাজমুলের কাছে জানতে চায়লে তিনি জানায়,আমাদের কোন লাইফ জ্যাকেট দেয়নি আর ভাড়া ২০০ করে নিয়েছে।
ঘাট কৃতপক্ষের কাছে এ ব্যাপার জিগ্যেস করলে জনাব বজলু মৃধা জানায়,যাত্রীরা লাইফ জ্যাকেট পড়তে চায় না তাই দেই না।সাথে সাথে সী বোডে বসারত এক যাত্রী বলে উঠে আমাদের লাইফ জ্যাকেট দিন,লাইফ জ্যাকেট ছারা আমরা যাব না!! 
যাত্রীর সাথে খারাপ ব্যাবহার ও লাইফ জ্যাকেট দেয়নি এ ব্যাপারে জানতে চায়লে তিনি বলেন,কোন চালক এমন করেছে তা আমাদের জানা নাই তবে ঘটনাটি দুঃখজনক।

চরভদ্রাসন ধ্বংষের মুখে।

পদ্মার ভাঙন রোধ না করা গেলে মানচিত্র থেকে মুছে যাবে চরভদ্রাসন উপজেলা
নাজমুল হসান নিরব,নিজস্ব প্রতিবেদক-
ফরিদপুর চরভদ্রাসন উপজেলায় পদ্মায় ভাঙন যেন এক দুঃস্বপ্নের নাম।প্রতিবছর বাড়ি-ঘড় ছাড়া হয় কয়েক গ্রামের মানুষ।ইতি মধ্যে পদ্মার করাল গ্রাসে নিঃশেষ হযে গেছে চারটি ইউনিয়নের দুটি ইউনিয়ন।বাকি দুটি ইউনিয়ন এখন ভাঙনের চরম পর্যায়ে।মনে হচ্ছে কখন যেন মানচিত্র থেকে হারিয়ে যায় এই দুটি ইউনিয়ন। উপজেলার সদর ইউনিয়নের এমপি ডাংগি গ্রামের মেইন সড়কের মাত্র ২০ হাত দুড়ে পদ্মা।ভাঙনের গতিও তীব্র।দ্রুত পদক্ষেপ হিসেবে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে ভাঙন প্রতিরোধ হবে কিনা তা বলতে পারছে না সংশ্লিষ্টরা।আর এই এমপি ডাংগি গ্রামের পদ্মার পাড় ধরে আগের গ্রাম হলো বালিয়া ডাংগি গ্রাম।এই গ্রামের ভাঙনের অবস্থা আরো ভয়াবহ।
গত কয়েকদিন যাবৎ সরেজমিনে যেয়ে দেখা যায়,একে একে ভেঙে যাচ্ছে ইউনিয়নের পুরোনো গ্রামের বসতবাড়িগুলো।গত বছর ও উক্ত গ্রামের অর্ধেক বাড়িঘড় ভেঙে যায়।এ বছর বর্ষা শুরু হওয়ার আগে থেকেই পদ্মায় ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে।এলাকার গন্যমান্য ও মুরুব্বিরা বলছে এভাবে ভাঙতে থাকলে সদর বাজার সহ পদ্মায় বিলীন হতে পারে সদর উপজেলা।
গত কয়েকদিনে উক্ত গ্রামের প্রায় ১০-১২ টি বসতঘড় পদ্মায় বিলীন হয়ে যায়। ভাঙন কবলিতরা হল,আবুল কাশেম মন্ডল,কাউছাড় মন্ডল,আক্কাছ মন্ডল,পান্নু মন্ডল,পাঞ্জু বেপারি,সিকান্দার মোল্যা,হানিফ মোল্যা,রাজ্জাক মোল্যার বসতভিটে।বৃদ্ধ আবুল কাশেম মন্ডল দুঃখ ও আর্তনাদের সাথে জানান,“বসতভিটে হারিয়ে আমি এখন নিঃস্ব,কই যামু ,কি করুম, কি খামু তা একমাত্র আল্লাহই জানে।এমপি-মন্ত্রীরা শুধু ভোট চায় কিন্তু পদ্মায় আমাগো সব শেষ হয়ে যায় চোখেও দেখে না”।উক্ত গ্রামের আরেক বৃদ্ধ আমজেদ খান জানান ,“শুনছি সরকারের এত উন্নতি হয় অত উন্নতি হয়।কোটি কোটি টাকা দিয়ে বড় বড় বিল্ডিং হয় ব্রীজ হয় কিন্তু‘ পদ্মার ভাঙন তো রোধ হয় না। শুনছি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গরিবের বন্ধু তাইলে আমাদে বিপদ আপদ দেখে না কেন”।
এ দিকে উক্ত গ্রামের মেম্বার বারেক মন্ডল জানান বাড়িঘড় পদ্মায় ভাঙার পড়ে আমরা উপজেলায় ১৮ পরবারের লিষ্ট জানাইছি।কিন্তু এ পর্যন্ত কেউ কোন সাহায্য সহযোগিতা করে নাই তবে হবে।
এ ব্যাপারে সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজাদ খান জানান ,এমপি ডাংগি এলাকায় ভাঙন প্রতিরোধের চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে বালিয়া ডাংগি ও ফাজিল খার ডাংগি এলাকায় ভাঙন প্রতিরোধে এখন ও কোন ব্যাবস্থা হয়নি । তবে আমরা সকল পর্যায়ে বিষয়টা গুরুত্বেও সাথে জানায়ছি।এখন কি ব্যাবস্থা নেয়া হবে তা ঠিক করা হয়নি।তবে খুব দ্রুত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। আর যদি ব্যাবস্থা নেওয়া না হয় তবে চরভদ্রাসনের মানুষের আবস্থা কি যে হবে তা অল্লাহ্ই জানে।তবে চরভদ্রাসন হুমকির মুখে।

ভেঙ্গেই চলেছে পদ্মা ; হুমকির মুখে চরভদ্রাসন

নাজমুল হাসান নিরব,স্টাফ রির্পোটার:-
ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলা পদ্মার তীরর্বতী একটি অঞ্চল।যার দুইটি ইউনিয়ন আনেক আগেই ভেঙে গেছে পদ্মার গ্রাসে। বাকি দুটি ইউনিয়ন হল চরভদ্রাসন ইউনিয়ন ও গাজিরটেক ইউনিয়ন।কিন্তু বর্তমান অবস্থায় ভয়ানক হুমকির মুখে রয়েছে চরভদ্রাসন ইউনিয়ন তথা পুরো উপজেলা।উপজেলার এমপি ডাংগী গ্রামের মেইন সড়ক ঘেষে পদ্মা নদী দ্রুত গতিতে ভেঙে চলেছে।সড়ক থেকে মাত্র ১২ গজ দুরুত্বে রয়েছে পদ্মা নদী।যে কোন সময় বীলিন হয়ে যাবে অর্ধশত বছরের পাকা সড়কটি।ইতি মধ্যে নদী প্রান্তের লোকজন তাদেড় বসত বাড়ি সরিয়ে ফেলেছে।এখন প্রতি মূহুত্বে শঙ্কার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন অপর প্রান্তের গ্রামবাসী।স্থানীয় গ্রামের বাসিন্দা হীরা বেগম জানায়,“গত বছর ও ভাঙন রোধের অনেক চেষ্টা করা হয়েছে কিন্তু কোন রোধ হয়নি তারপর থেকে বিভিন্ন সময় এমপি,মন্ত্রী,নেতাকর্মী ও ডিসি আসছে কিন্তু কেউ কোন সমাধান বা প্রতিরোধের ব্যাবস্থা নেয়নি।শুধু কথাই দিয়ে যায় কিন্তু কোন কাজ হয়না”।ভাঙন কবলিত ওয়ছেল শিকদার জানান “যেভাবে গত এক সপ্তাহ যাবৎ ভাঙতেছে তাতে যে কোন সময় রাস্তা বিলীন হয়ে যেতে পারে”।
এ ব্যাপারে উক্ত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজাদ খান জানান,“ঢাকা ও ফরিদপুর থেকে পাওবো’র বিভিন্ন কর্মকর্তাগন দফায় দফায় ভাঙন কবলিত স্থান পরিদর্শন করেছেন।তারা এটা নিয়ে ঢাকায় দ্রুত আলোচনা করবেন।তবে খুব দ্রুত ’জিও’ ব্যাগ দিয়ে ভাঙন কবলিত স্থানে বাধ দেওয়া হবে সেটা দু একদিনের মধ্যে হতে পরে।তিনি আরো জানান ৩৩৭ কোটি টাকার স্থায়ী বাঁধ নির্মানের একটি প্রকল্প এ সপ্তাহে পরিকল্পনা মন্ত্রীর নিকট পেশ করা হবে।তিনি অনুমোদন দিলে খুব দ্রুত কাজ শুরু হবে”।
এ ব্যাপারে চরভদ্রাসন উপজেলা র্নিবাহী অফিসার কারুন নাহারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,“পাউবো’র কর্মকর্তরা দফায় দফায় পরিদর্শন করেছে তবে কিভাবে প্রতিরোধ হবে এবং কবে থেকে হবে তা তারাই বলতে পারবে।এ ব্যাপারে তাদের সাথে কথা বলেন।

মেহেরপুরে মজুরির দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ মিছিল

মেহের আমজাদ,মেহেরপুর 
মেহেরপুর সদর উপজেলার বুড়িপোতা ইউনিয়নের অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি প্রকল্পের অধীনে কর্মরত শ্রমিকরা তাদের মজুরির দাবিতে মেহেরপুর শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শ্রমিক সরদার ইয়াকুব আলীর নেতৃত্বে প্রায় শতাধিক পুরুষ ও মহিলা শ্রমিক বিক্ষোভ মিছিল করে। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে সদর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। পরে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের কাছে তাদের দাবি জানান। এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাৎক্ষনিক নির্দেশ দিলে তাদের পারিশ্রামিক পরিশোধ করা হয়।
শ্রমিক সরদার ইয়াকুব আলী জানান, প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী প্রতি সপ্তাহে শ্রমিকদের মজুরি পরিশোধ করার নিয়ম। অথচ ২৮ দিন পার হলেও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে স্টাফ সেলিম উদ্দিন গাফিলতি করে মজুরি পরিশোধ করছেন না।

রমযান মাসে বাজারদর নিয়ন্ত্রণ রাখতে মেহেরপুরে জেলা প্রশাসনের তৎপরতা

মেহের আমজাদ,মেহেরপুর 
জেলা প্রশাসনের তিন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট রমযান মাসে বাজার দর নিয়ন্ত্রণ রাখার লক্ষে এবং ব্যবসায়ীদের সচেতন করতে মেহেরপুর বড়বাজার পরিদর্শন করেছেন ।
গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জেলা প্রশাসনের সহকারি কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মহিদুল হক মিথুন, মিনহাজুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম বাজারের কাঁচাবাজার, মাংসের দোকানসহ বিভিন্ন দোকান পরিদর্শন করেন এবং ব্যবসায়ীদে সচেতন করেন। এসময় ওজনে কম না দেওয়া, বেশি দাম না নেওয়াসহ বিভিন্ন বিষয়ে সচেতন করেন। এর ব্যতায় ঘটলে পরবর্তীতে আইনী ব্যবস্থ্যা নেওয়ার হুশিয়ারি দেন। এসময় তহবাজার ব্যবসায়ী সমিতিরি সভাপতি আবু হানিফ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদসহ বাজারের অন্যান্য ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

মধুখালীতে ট্র্যাক চাপায় জুট মিল শ্রমিক নিহত

মধুখালী প্রতিনিধি:
   ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার আলতু খান জুট মিলের এক শ্রমিক অজ্ঞাত একটি ট্র্যাকে চাপায় নিহত হয়েছে। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের উপজেলা সাব-রেজিট্রি অফিসের সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শ্রমিকের নাম মো. আতিয়ার (৩৭)। তিনি ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের করিমপুর গ্রামের হালিম মোল্লার ছেলে ।
মধুখালী ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা খবর পেয়ে সকাল সাড়ে পাঁচটায় ঘটনাস্থলে এসে লাশ উদ্ধার করে মধুখালী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। ওই শ্রমিক সকালে জুট মিলে দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্যে পৌর সদরের বনমালিদিয়া গ্রামের ভাড়াটিয়া বাসা থেকে বাই সাইকেল যোগে জুট মিলে যাচ্ছিলেন।
মধুখালী থানা পুলিশের উপরিদর্শক পলাশ কুমার দাস ঘটনার সত্যতা স্বীকার বলেন লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।