Showing posts with label country news. Show all posts

The Russell's Viper: A Fearsome Yet Fascinating Snake of Asia

The Russell's Viper: A Fearsome Yet Fascinating Snake of Asia
The Russell's Viper: A Fearsome Yet Fascinating Snake of Asia



Nazmul Hasan Nirob:

The Russell's viper (Daboia russelii) is a stocky, venomous snake native to the vast swaths of open land across southern and southeastern Asia. Feared for its potent venom and responsible for a significant number of snakebite incidents within its range, this viper also holds a certain ecological importance. Let's delve deeper into the world of the Russell's viper, exploring its physical characteristics, behavior, habitat, and the role it plays in the Asian ecosystem.


A Name Steeped in History:

The Russell's viper gets its name from Patrick Russell, a Scottish surgeon who documented numerous Indian snakes during the British Raj in the 18th century.  Russell's extensive research on this particular viper led to its scientific classification in 1797.  This viper is also included among the "big four" snakes of India, a group of snakes responsible for a high number of snakebite fatalities on the subcontinent.


A Distinctive Looker:

The Russell's viper is a medium-sized snake, typically reaching lengths of around 1.5 meters (5 feet). Its body is broad and muscular, well-adapted for striking and overpowering prey.  The most striking feature of this viper is its coloration.  Its body is adorned with a series of three rows of reddish-brown ovals outlined in black and white, a characteristic pattern that aids in camouflage amidst leaf litter and forest floors.


Masters of Night and Opportunistic Feeders:

Russell's vipers are primarily nocturnal creatures, emerging under the cloak of darkness to hunt.  Their diet consists mainly of rodents, which are abundant in the farmlands and open fields where these vipers frequently reside.  They are ambush predators, lying in wait for unsuspecting prey and striking with lightning speed when an opportunity arises.  Their viper fangs inject a potent venom that quickly subdues their victims.  Russell's vipers are also known to be opportunistic feeders, consuming lizards, amphibians, and even small birds when the occasion presents itself.


Adaptable Habitats:

The Russell's viper demonstrates remarkable adaptability when it comes to habitat selection.  They thrive in various environments, including open forests, grasslands, agricultural lands, and even human settlements.  Their ability to survive in close proximity to humans is a significant factor contributing to the high number of snakebite incidents in South Asia.  They are also adept swimmers and can sometimes be found near water bodies.


A Complex Venom with Devastating Effects:

The venom of the Russell's viper is a complex mix of toxins that can cause a range of devastating effects on a bite victim.  Common symptoms include localized pain, swelling, and tissue necrosis.  The venom can also disrupt blood clotting mechanisms and cause internal bleeding.  In severe cases, it can lead to kidney failure and even death.  Fortunately, effective antivenoms are available, and timely medical intervention can significantly improve the chances of survival.


Breeding and Life Cycle:

Russell's vipers are viviparous, meaning they give birth to live young.  Females typically produce litters of up to 25 neonates, who are born fully independent and ready to hunt for themselves.  These young vipers are immediately venomous and just as dangerous as their adult counterparts.


The Role of the Russell's Viper in the Ecosystem:

Despite their fearsome reputation, Russell's vipers play a crucial role in maintaining the ecological balance within their habitats.  By preying on rodents and other small mammals, they help to control their populations and prevent them from becoming overabundant.  This, in turn, protects agricultural crops and maintains the health of the ecosystem.


Conservation Concerns:

While the Russell's viper is a widespread and common species, habitat loss due to human encroachment and agricultural development is a growing concern.  Additionally, accidental killings due to fear and misunderstanding pose a threat to their populations.  Education and awareness campaigns play a vital role in promoting peaceful coexistence between humans and these fascinating, yet potentially dangerous, creatures.


Living Alongside the Russell's Viper:

If you live in an area where Russell's vipers are present, it's important to be aware of their presence and take precautions to avoid encounters.  Wearing proper shoes and protective clothing when venturing into tall grass or fields can minimize the risk of stepping on a camouflaged viper.  If you encounter a viper, it's best to maintain a safe distance and slowly back away.  Do not attempt to handle or provoke the snake.  In case of a bite, seek immediate medical attention.


By understanding the Russell's viper's behavior, habitat, and ecological importance, we can learn to appreciate this fascinating predator while taking necessary steps to ensure our safety and the snake's continued survival.




চরভদ্রাসনে পদ্মায় অবৈধ বাঁধ; হুমকির মুখে মৎসকুল

নাজমুল হামান নিরব,চরভদ্রাসন(ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ                                            
ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার চরঝাউকান্দা ইউনিয়নের পদ্মা নদী অর্ন্তভুক্ত এলাকায়  অবৈধ বাশের বাধঁ দিয়ে মাছ শিকার করে চলেছেন স্থানীয় প্রভাবশালীরা। গত ১৫ দিন ধরে অবৈধভাবে এ বাধঁ দিয়ে মাছ শিকার করলেও প্রশাসনের নজরে তা এখনও পড়েনি। 
বুধবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার গোপালপুর টু মৈনট ঘাটে যাওয়ার সময় নদীতে প্রায় দুইহাজার মিটার পর্যন্ত আড়াআড়ি ভাবে কয়েক হাজার বাঁশ পুঁতে অবৈধ বাধঁ দেয়া হয়েছে। নদীর মূল প্রবাহে আড়াআড়িভাবে তৈরি করা বাঁেশর বাধেঁর সঙ্গে জাল দিয়ে প্রতিদিন অবৈধ ভাবে মাছ শিকার চলছে। বাধেঁর কারনে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ, মাছের অবাধ বিচরন ও নৌ- চলাচল মারাত্বকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিদিন অবৈধ বাধেঁ জাটকা ইলিশ, রুই, কাতল, চিতল, পাঙ্গাস, বোয়ালসহ জাটকা ইলিশ ধরা পড়ছে।এসময় বাধেঁ অবস্থানরত জেলোরা পালিয়ে যেতে থাকে। 
বাধঁ দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে, উক্ত বাধেঁর মালিক কাসেম মেম্বার বলেন, আমরা বাধঁটি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ও প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই দিয়েছি। দ্রæত বাঁধটি সরিয়ে ফেলব বলে তিনি স্থানীয় সাংবাদিকদের খবর প্রকাশ করতে বারন করেন।
বাধেঁর বিষয়ে জানতে চাইলে চরঝাউাকন্দা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ফরহাদ মৃধা বলেন, পদ্মায় অবৈধ বাধঁ দিয়ে মাছ ধরার বিষয়টি আমি শুনেছি।তবে কে বা কারা করেছে তা এখনও জানিনা। আমি অবৈধ বাধেঁর বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে জানিয়েছি।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মালিক তানভির হোসেন জানান, নদীতে এভাবে অবৈধভাবে বাধঁ দেওয়ার কোন সুযোগ ইেন।১৯৫০ মৎস্য সংরক্ষন আইন অনুযায়ী নদীতে আড়াআড়িভাবে বাধঁ দেওয়া শাস্তিযোগ্য অপরাধঁ। আমরা অতি শিঘ্রই তদন্ত করে দুই,একদিনের মধ্যে বাধঁটির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করব।  
উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা জেসমিন সুলতানা জানান, বাধঁটির বিষয়টি আমি আজকেই জানলাম। আমি এ বিষয়ে মৎস্য কর্মকর্তার সাথে কথা বলেছি। অতি শীঘ্রই আমরা মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বাধেঁর বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চরভদ্রাসনে মা ইলিশ অভিযানে ২৬ জেলের কারাদন্ড

মোঃ মনির হোসেন পিন্টু,চরভদ্রাসন থেকে-
ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে প্রজনন মৌসুমে সরকারের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পদ্মা নদীতে মা ইলিশ শিকারের দায়ে ২৬ জেলেকে ৬ দিন করে বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় অভিযান চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ৩০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ৬০ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়েছে।
বুধবার (২৪অক্টোবর) রাত থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত উপজেলার পদ্মা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে এ অভিযান পরিচালনা করেন জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ বায়েজিদুর রহমান। অভিযানে অন্যান্যর মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মালিক তানভীর হোসেন, ক্ষেত্র সহকারী শামীম আরেফিন, বাবর আলী, চরভদ্রাসন থানার এ.এস.আই মোঃ আজিজুলসহ সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জানান, এসময় আইন অমান্য করে মা ইলিশ শিকার করায় ২৬ জেলেকে দন্ডবিধি ১৮৬০ এর ১৮৮ ধারা লংঘনের দায়ে প্রত্যেককে ৬দিন করে বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়। জব্দ করা কারেন্ট জাল গোপালপুর ঘাটের পদ্মা নদীর তীরে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
এছাড়া জব্দ হওয়া মাছ উপজেলার বিভিন্ন এতিম খানায় ও মাদ্রাসায় বিতরণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

চরভদ্রাসনে শারদীয় দূর্গাপূজার সকল প্রস্তুতি শেষ ,আগামিকাল শুরু

নাজমুল হাসান নিরব, চরভদ্রাসন প্রতিনিধি- ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় হিন্দুধর্মের সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠান দুর্গা পূজার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন।

পুরোদমে দূর্গা পূজার প্রস্তুতি শেষ হওয়ায় উপজেলার সর্বত্র সাজ সাজ রব পরিলক্ষিত হচ্ছে। প্রতিটি পূজা মন্ডপে প্রতিমা তৈরীর কাজ শেষে স্বস্তির নিঃশ্বাশ ফেলছেন দিন রাত ব্যস্ত প্রতিমা ফুটিয়ে তোলার কাজে ব্যাস্ত থাকা মৃৎ শিল্পীরা। সরেজমিনে, রবিবার উপজেলার বিভিন্ন পূজা মন্ডপগুলো ঘুরে দেখা যায়, পূজা পালনে এবছর উপজেলার মোট ১৭টি পূজা মন্ডপে পূজা উদযাপনের ব্যাপক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। উপজেলা পূজা কমিটির সভাপতি রবীন্দ্রনাথ টিকদার জানান, এবছর আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত অনষ্ঠিত হবে শারদীয় দূর্গা পূজা। উপজেলা ত্রান অধিদপ্তর সূত্র থেকে জানা যায়, এবছর উপজেলায় শারদীয় দূর্গা পূজা উদযাপনের লক্ষে প্রতিটি পূজা মন্ডপে সরকারের পক্ষ থেকে ৫০০কেজি করে চাল দেয়া হয়েছে। 
থানা (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা মোঃ হারুন অর রশিদ জানান, এবছর উপজেলায় শারদীয় দূর্গা পূজা উৎসবমূখর পরিবেশে ও শান্তিপূর্ন ভাবে পালনের জন্য ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। প্রতিটি পূজা মন্ডপে আনছার বাহিনীর পাশাপাশি পুলিশের ফোকাল ও ভ্রাম্যমাণ টহল অব্যাহত থাকবে। এছাড়া উপজেলায় পূজা চলাকালীন সময়ে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য বিদ্যুৎ বিভাগের সাথে আমাদের সিনিয়র অফিসারের কথা হয়েছে বলে তিনি জানান। এবার ফরিদপুরের নয় উপজেলায় সাড়ে সাত শতাধিক মন্ডপে দূর্গা পূজা অনুষ্টিত হবে।

চরভদ্রাসনে পদ্মা বাঁধ প্রকল্পে কোটি টাকা উধাও,ভাঙনের কবলে মেইন সড়ক!

নাজমুল হাসান নিরব,চরভদ্রাসন প্রতিনিধিঃ-ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলা সদরের এম.পি ডাঙ্গী, গ্রামে পাকা রাস্তা গত বৃহস্পতিবার পদ্মার ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে।তারও সপ্তাহ খানেক আগে বিলীন হয়ে গেছে ফাজেলখার ডাংগি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। মাত্র ১৫ দিন পুর্বে উক্ত রাস্তা রক্ষার জন্য প্রায় এক কোটি টাকা ব্যায়ে জিও বালুর ব্যাগ ডাম্পিং প্রকল্প কাজ করেছেন ফরিদপুর পাউবো। একই সাথে পার্শ্ববতী ফাজেলার ডাঙ্গী গ্রাম ও বালিয়া ডাঙ্গী গ্রামের ভাঙন কবলিত পদ্মা পারে জিও বালুর ব্যাগ ডাম্পিং করা হয়। এ প্রকল্পর আওতায় সর্বমোট ২২ হাজার ৫শ’ জিও বালুর ব্যাগ ডাম্পিং করা হয়। 

    কিন্ত সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের নিম্নমানের বালু ব্যাবহারের ফলে প্রকল্পটি কোনো কাজে আসেনি বলে  অভিযোগের ঝড় ওঠেছে পুরো উপজেলায়। পদ্মা নদীর অপর পারের চর থেকে ড্রেজার মেশিন দিয়ে অত্যান্ত নিম্নমানের বালু উত্তোলনের পর তা ট্রলার ও বলগেট মেশিন দিয়ে ভাঙন কবলিত পদ্মা পারে ফেলা হয়। এসব বালু পরিমানে কম দিয়ে প্রস্তুত করা হয় জিও ব্যাগ। আর এসব প্রস্তুুতকৃত জিও ব্যাগ পদ্মা পারে কম পরিমানে ডাম্পিং করে অধিক দেখানো হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে এলাকাবাসীর। ফলে নিম্নমানের মান বালু ভর্তি জিও ব্যাগ পদ্মা নদীর খড়ো স্রোতের আঘাত প্রতিরোধ করতে না পেরে পুরো প্রকল্প ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে বলে দেখা গেছে।
    উপজেলার এমপি ডাঙ্গী গ্রামে ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার শেখ মোনসুর, শেখ সালাম ও শেখ নুরুদ্দিন সহ আরো অনেকে জানায়, “ মাত্র পনের দিন আগে উপজেলার মেইন সড়ক, স্কুল, মসজিদ ও মাদ্রাসা রক্ষার জন্য জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হয়েছে। উক্ত পদ্মা রক্ষা কাজ চলাকালে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে আমরা গ্রামবাসী বার বার মৌখিক অভিযোগ করেছি। কিন্তু সংশ্লিষ্ট ফরিদপুর পাউবো’র কর্মকর্তারা আমাদের কোনো কথাই কর্ণপাত করেন নাই। ফলে এক কোটি টাকার পদ্মা রক্ষা প্রকল্পটি এলাকার কোনো কাজে আসল না ”। এলাকার তরুন সমাজের দাবী “সর্ম্পুন অনিয়মতান্ত্রিক ও অপরিকল্পিতভাবে বালুর বস্তা যেখানে সেখানে ফেলা হয়,বাঁধ যেভাবে হয় সেভাবে কোন বস্তা ফেলা হয় নাই,টাকা পায়ছে আর লুটপাট কইরা খায়ছে,এক কোটি টাকা তো বাড়ির কাছে না,কই বিন্দু পরিমান ভাঙন তো কমল না”।
 গত শুক্রবার ভাঙন কবলিত উপজেলার প্রধান সড়কটি পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক উম্মে সালমা তানজিয়া বলেন, “ ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ডাম্পিং কাজে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অনিয়ম করলে তাকে কোন ছাড় দেওয়া হবে না। অভিযোগের সত্যতা পেলে দোষীদের শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে”।
 জানা যায়, প্রতিটি জিও ব্যাগ ১৭৫ কেজি ওজন সম্পন্ন শুকনো ও মানসম্মত বালু দিয়ে প্রস্তুত করার বিধান রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা তা অনিয়ম করে পদ্মা নদীর ভিজা কাঁদাবালু মাটি জিও ব্যাগের অর্ধেক পরিমানে ঢুকিয়ে কোনো ওজন না দিয়ে পদ্মা পারে ডাম্পিং করা হয়। এ প্রকল্পর আওতায় উপজেলা সদরে পদ্মা নদীর এমপি ডাঙ্গী গ্রামের মেইন সড়কের পাশে পদ্মা পারে দুই দফায় মোট ১১ হাজার ৫শ’ জিও বালুর ব্যাগ ও ফাজেলখার ডাঙ্গী, বালিয়া ডাঙ্গী গ্রামের পদ্মা পারে আরও ১১ হাজার সহ সর্বমোট ২২ হাজার ৫শ’ জিও বালুর ব্যাগ ডাম্পিং করা হয়। এ প্রকল্পর কাজ করার জন্য প্রায় ৯৪ লক্ষ টাকা ব্যয় বরাদ্দ দেন ফরিদপুর পাউবো।
এ প্রকল্প কাজের দায়িত্বরত কর্মকর্তা ফরিদপুর পাউবো’র উপবিভাগীয় প্রকৌশলী জহুরুল ইসলাম বলেন, “ জরুরী ভিক্তিতে পদ্মা রক্ষা প্রকল্পর কাজ করার সময় মান সম্মত বালু পাওয়া যায় না। তাই কাজটি সম্পন্ন করার স্বার্থে লোকাল বালু ব্যবহার করতে হয়েছে”। আর উপজেলা পদ্মা রক্ষা প্রকল্প কাজের ঠিকাদার ও নিলয় এন্টারপ্রাইজের স্বত্তাধিকারী মানিক মিয়া বলেন, “ ভরা বর্ষা মৌসুমে শুকনো বালু ম্যানেজ করা সম্ভব হয় না। তাই বলগেইট মেশিনের মাধ্যমে পদ্মা থেকে বালু তুলে আনতে হয়”।

চরভদ্রাসনে সোনালী ব্যাংকে গ্রাহকের চরম দুর্ভোগ,জনবল সংকট

নাজমুল হাসান নিরব,ফরিদপুর(চরভদ্রাসন)প্রতিনিধি-
ফরিদপুর জেলার চরভদ্রাসন একটি ছোট উপজেলা।যার চারটি ইউনিয়নের দুটি ইউনিয়নই পদ্মার গ্রাসে ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে।তবে বাকি দুটি ইউনিয়নের প্রায় ৮০% ভাগ দৈনিন্দ আয় হয় বৈদেশিক রেমিট্যান্স থেকে।বলা যায় এই এলাকার প্রায় ৮০%পরিবারের লোক প্রবাসি।তাই এই এলাকায় বানিজ্যিক ব্যাংক খুবই গুরুত্বপুর্ন।সেই চাহিদা অনুযায়ী চরভদ্রাসনে ২৩-৫-১৯৮৩ সালে সোনালী ব্যাংক এর শাখা প্রতিষ্ঠিত হয়।শুরুর দিকে ব্যাংকের সুযোগ,সুভিদা ও সেবা ভালো হওয়ার কারনে মুনুষের ভীর পড়েই থাকত এই ব্যাংকে।কিন্তু পর্যাপ্ত সেবার অভাবে বর্তমানে সরকারী বেতন,পেনশন বা বিভিন্ন ভাতা ব্যাতীত এই ব্যাংকে কেউ যেতেই চায় না।
রবিবার দুপুর একটার দিকে এই ব্যাংকে সরেজমিনে গেলে দেখা যায়,ব্যাংকে কোন কর্মকর্তা বা স্টাফ নেই ।গ্রাহকে ব্যাংক পরিপুর্ন।গ্রাহকগন জানায় ব্যাংকের সকল স্টাফ ও কর্মকর্তা দুপুরের খাবারের বিরতিতে আছে।স্বাভাবিক অন্যান্য ব্যাংকে দেখা যায় একজন বিরতিতে গেলে আরেকজন দায়িত্ব পালন করছে।গ্রাহকগন আরো বলে,অন্যান্য ব্যাংকে কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত সার্ভিস দিতে থাকে কিন্তু এখানে ওনারা ওনাদের সুভিদামত কাজ করেন।ব্যাবহার ও ভালো করেনা।
ব্যাংক ম্যানাজারের রুমে গেলে দেখা যায় তিনি মুঠোফোনে কথা বলতে ব্যাস্ত । আর সামনে গ্রাহক দারিয়ে রয়েছে।গ্রাহক আছে কর্মকর্তা নাই এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলে সবাই একসাথে দুপুরের খাবারের বিরতিতে আছে।তিনি আরো জানায় মোট ১৩ টি পোষ্ট থাকলেও ব্যাংকে মাত্র আমরা ৭ জন আছি।আমি আসার পরেও একজন গেছে।এখন লোন সাইটটি নিয়ে মোট ৬ টি পোষ্ট খালি আছে।এতদিন উপড় পর্যায়ে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে তবে গত ১৭ তারিখে লিখিতভবে জানানো হয়েছে।দ্রæত নিয়োগ হবে কিনা জানতে চায়লে তিনি বলেন এ ব্যাপারে জেনারেল ম্যানাজারের সাথে কথা হয়েছে তিনি বলেছে লোক হলে দিব। 
ভুক্তভোগি জনাব নাজির হোসেন জানায়,“আমি কারখানায় কাজ করি ,কারেন্ট বিল দিতে আসছি ১ ঘন্টা যাবৎ, বসে আছি।কারেন্ট বিল সই করেছে তবে টাকা জমা দিতে পারিনি,বলেছে লাঞ্চের পরে নিবে”।
আনোয়ারা নামে এক মহিলা জানায়,আমি একটি এ্যাকাউন্ট করতে আসছি,একবার এইপাশ আবার ঐপাশ এভাবে সকাল থেকে ঘুড়ছি।জানিনা কখন শেষ হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সরকারি কর্মকর্তা জানায়,কোন কাজে সোনালী ব্যাংকে গেলে সারাদিনের নিজের কাজ শেষ হয়ে যায়।কোন সেবা বা সহযোগিতা ঐ ব্যাংকে নাই।মানুষ বিপদে না পড়লে ঐ ব্যাংকে যাইতো না।
ম্যানেজার এ কে এম নুরুল আলম আরো জানায়“ আপনারা চরভদ্রাসনের মানুষ ভালো দেখে আমরা এখন টিকে আছি তা না হলে এত কম স্টাফ নিয়ে একটি শাখা পরিচালনা করা সম্ভব নয়”।

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সী বোডে নদী পাড়াপার করা হচ্ছে;অভিযোগ যাত্রীদের !

নাজমুল হাসান নিরব,ফরিদপুর প্রতিনিধি- ফরিদপুর চরভদ্রাসন উপজেলায় জীবনের ঝুকি নিয়ে নদী পাড়াপার হচ্ছে যাত্রীগন।চরভদ্রাসন থেকে ঢাকা যাওয়ার সহজ ও দ্রুততম পথ হলো গোপালপুর-মৈনুট এই নদী পথ। মাত্র ২০ মিনিটে সী বোডে আর ৫০ মিনিটে ট্রলারে এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে সহজেই পৌছানো যায়।সময় বাচানোর জন্য বেশিরভাগ যাত্রীরাই সী বোডে পদ্মা পার হয়।কিন্তু বৃষ্টি ও বর্ষার মৌসুমে পদ্মার চেহারা যেন একটু ভয়ংকর হয়ে ওঠে।পদ্মা ক্ষুদার্থ হয়ে ওঠে।পানির বৃদ্ধি ও গভীরতা বাতাসের সাথে মিশে তৈরী হয় এক ভয়ংকর  ঢেউয়ের।ঢেউয়ের বাড়িতে প্রায় ৫-৬ ফিট উপরে উঠে যায় সী বোর্ড।যেখানে চালকের বিন্দুমাত্র অসতর্কতা ও অসাবধানতার কারনে ডুবে যেতে পারে সী বোড।আর অদক্ষ ও দায়ীত্বহীন চালক দ্বারা আরো হুমকীর মুখে পড়ে যাত্রীদের জীবন।
আজ শনিবার দুপুর তিনটার দিকে মৈনট ঘাট থেকে ৮ জন যাত্রী নিয়ে একটা বোড ছেড়ে আসে গোপালপুর এর উদ্দেশ্যে যেখানে একজন  মেয়ে ছিল।সে একজন ম্যাজিস্ট্রেট ও তার সাথে ছিল সহকর্মী। তারা কখনও এই পথ দিয়ে যাতায়ত করে নাই।নদীর ঢেউ বা পানি সম্পর্কে তাদের কোন ধারনা ছিলনা।বোডটি ৫ মিনিট চলার পড়ে তার সম্পুর্ন ভিজে যায়।এবং প্রচুর ঢেউয়ে তারা ভয় ও পায়।চালকের কাছে লাইফ জ্যাকেট চায়লে চালক লাইফ জ্যাকেট নাই বলে রাগন্বিত হয়ে উত্তর দেয়। 
ঈাড় হয়ে সদর বাজারে সাংবাদিকদের কাছে ঐ যাত্রী মেরিনা দেবী জানান,আমরা কোনদিন এই রাস্তায় আসিনি।তাই কোনকিছু না বুঝে সী বোডে উঠে যাই। প্রথমে ঢেউয়ে পদ্মার পানিতে ভিজতে থাকি, চালককে জানালে সে বলে আমিও তো ভিজতেছি, ঢেউয়ের পরিমান বাড়লে লাইফ জ্যাকেট চাইলে সে নাই বলে জানায়।সে বাজে ভাবে রাগান্বিত হয়ে কথা বলতে থাকে।আমারা যে বেচে ফিরব সেটা ভাবিই নাই।
অপর যাত্রী সুকান্ত হালদার আমাদের জানায়,বিদেশে খারাপ মানুষ দেখেছি কিন্তু বাংলাদেশে যে খারাপ মানুষ আছে তা ঐ ড্রাইভারকে না দেখলে বুঝতাম না।আবার ভাড়াও স্বাভিক এর থেকে বেশী ;২০০ টাকা।সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন আপনারা এর প্রতিবাদ করেন না কেন।তারা উভয় ই আমাদের জানায়,"আমরা কোন পোষাক আনিনাই, সারা শরীর ভেজা এখন এইভাবে ভেজা থাকলেতো আমরা অসুস্থ হয়ে পড়ব।

এ ব্যাপারে   তথ্যের সত্যতা যাচাই করার জন্য ঘাটে গেলে দেখা যায় এখনও লাইফ জ্যাকেটহীন ভাবে সী বোডে যাত্রীরা নদী পারাপার হচ্ছে।এ ব্যাপারে যাত্রী সৌদী প্রবাসি নাজমুলের কাছে জানতে চায়লে তিনি জানায়,আমাদের কোন লাইফ জ্যাকেট দেয়নি আর ভাড়া ২০০ করে নিয়েছে।
ঘাট কৃতপক্ষের কাছে এ ব্যাপার জিগ্যেস করলে জনাব বজলু মৃধা জানায়,যাত্রীরা লাইফ জ্যাকেট পড়তে চায় না তাই দেই না।সাথে সাথে সী বোডে বসারত এক যাত্রী বলে উঠে আমাদের লাইফ জ্যাকেট দিন,লাইফ জ্যাকেট ছারা আমরা যাব না!! 
যাত্রীর সাথে খারাপ ব্যাবহার ও লাইফ জ্যাকেট দেয়নি এ ব্যাপারে জানতে চায়লে তিনি বলেন,কোন চালক এমন করেছে তা আমাদের জানা নাই তবে ঘটনাটি দুঃখজনক।

চরভদ্রাসন ধ্বংষের মুখে।

পদ্মার ভাঙন রোধ না করা গেলে মানচিত্র থেকে মুছে যাবে চরভদ্রাসন উপজেলা
নাজমুল হসান নিরব,নিজস্ব প্রতিবেদক-
ফরিদপুর চরভদ্রাসন উপজেলায় পদ্মায় ভাঙন যেন এক দুঃস্বপ্নের নাম।প্রতিবছর বাড়ি-ঘড় ছাড়া হয় কয়েক গ্রামের মানুষ।ইতি মধ্যে পদ্মার করাল গ্রাসে নিঃশেষ হযে গেছে চারটি ইউনিয়নের দুটি ইউনিয়ন।বাকি দুটি ইউনিয়ন এখন ভাঙনের চরম পর্যায়ে।মনে হচ্ছে কখন যেন মানচিত্র থেকে হারিয়ে যায় এই দুটি ইউনিয়ন। উপজেলার সদর ইউনিয়নের এমপি ডাংগি গ্রামের মেইন সড়কের মাত্র ২০ হাত দুড়ে পদ্মা।ভাঙনের গতিও তীব্র।দ্রুত পদক্ষেপ হিসেবে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে ভাঙন প্রতিরোধ হবে কিনা তা বলতে পারছে না সংশ্লিষ্টরা।আর এই এমপি ডাংগি গ্রামের পদ্মার পাড় ধরে আগের গ্রাম হলো বালিয়া ডাংগি গ্রাম।এই গ্রামের ভাঙনের অবস্থা আরো ভয়াবহ।
গত কয়েকদিন যাবৎ সরেজমিনে যেয়ে দেখা যায়,একে একে ভেঙে যাচ্ছে ইউনিয়নের পুরোনো গ্রামের বসতবাড়িগুলো।গত বছর ও উক্ত গ্রামের অর্ধেক বাড়িঘড় ভেঙে যায়।এ বছর বর্ষা শুরু হওয়ার আগে থেকেই পদ্মায় ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে।এলাকার গন্যমান্য ও মুরুব্বিরা বলছে এভাবে ভাঙতে থাকলে সদর বাজার সহ পদ্মায় বিলীন হতে পারে সদর উপজেলা।
গত কয়েকদিনে উক্ত গ্রামের প্রায় ১০-১২ টি বসতঘড় পদ্মায় বিলীন হয়ে যায়। ভাঙন কবলিতরা হল,আবুল কাশেম মন্ডল,কাউছাড় মন্ডল,আক্কাছ মন্ডল,পান্নু মন্ডল,পাঞ্জু বেপারি,সিকান্দার মোল্যা,হানিফ মোল্যা,রাজ্জাক মোল্যার বসতভিটে।বৃদ্ধ আবুল কাশেম মন্ডল দুঃখ ও আর্তনাদের সাথে জানান,“বসতভিটে হারিয়ে আমি এখন নিঃস্ব,কই যামু ,কি করুম, কি খামু তা একমাত্র আল্লাহই জানে।এমপি-মন্ত্রীরা শুধু ভোট চায় কিন্তু পদ্মায় আমাগো সব শেষ হয়ে যায় চোখেও দেখে না”।উক্ত গ্রামের আরেক বৃদ্ধ আমজেদ খান জানান ,“শুনছি সরকারের এত উন্নতি হয় অত উন্নতি হয়।কোটি কোটি টাকা দিয়ে বড় বড় বিল্ডিং হয় ব্রীজ হয় কিন্তু‘ পদ্মার ভাঙন তো রোধ হয় না। শুনছি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গরিবের বন্ধু তাইলে আমাদে বিপদ আপদ দেখে না কেন”।
এ দিকে উক্ত গ্রামের মেম্বার বারেক মন্ডল জানান বাড়িঘড় পদ্মায় ভাঙার পড়ে আমরা উপজেলায় ১৮ পরবারের লিষ্ট জানাইছি।কিন্তু এ পর্যন্ত কেউ কোন সাহায্য সহযোগিতা করে নাই তবে হবে।
এ ব্যাপারে সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজাদ খান জানান ,এমপি ডাংগি এলাকায় ভাঙন প্রতিরোধের চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে বালিয়া ডাংগি ও ফাজিল খার ডাংগি এলাকায় ভাঙন প্রতিরোধে এখন ও কোন ব্যাবস্থা হয়নি । তবে আমরা সকল পর্যায়ে বিষয়টা গুরুত্বেও সাথে জানায়ছি।এখন কি ব্যাবস্থা নেয়া হবে তা ঠিক করা হয়নি।তবে খুব দ্রুত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। আর যদি ব্যাবস্থা নেওয়া না হয় তবে চরভদ্রাসনের মানুষের আবস্থা কি যে হবে তা অল্লাহ্ই জানে।তবে চরভদ্রাসন হুমকির মুখে।

ভেঙ্গেই চলেছে পদ্মা ; হুমকির মুখে চরভদ্রাসন

নাজমুল হাসান নিরব,স্টাফ রির্পোটার:-
ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলা পদ্মার তীরর্বতী একটি অঞ্চল।যার দুইটি ইউনিয়ন আনেক আগেই ভেঙে গেছে পদ্মার গ্রাসে। বাকি দুটি ইউনিয়ন হল চরভদ্রাসন ইউনিয়ন ও গাজিরটেক ইউনিয়ন।কিন্তু বর্তমান অবস্থায় ভয়ানক হুমকির মুখে রয়েছে চরভদ্রাসন ইউনিয়ন তথা পুরো উপজেলা।উপজেলার এমপি ডাংগী গ্রামের মেইন সড়ক ঘেষে পদ্মা নদী দ্রুত গতিতে ভেঙে চলেছে।সড়ক থেকে মাত্র ১২ গজ দুরুত্বে রয়েছে পদ্মা নদী।যে কোন সময় বীলিন হয়ে যাবে অর্ধশত বছরের পাকা সড়কটি।ইতি মধ্যে নদী প্রান্তের লোকজন তাদেড় বসত বাড়ি সরিয়ে ফেলেছে।এখন প্রতি মূহুত্বে শঙ্কার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন অপর প্রান্তের গ্রামবাসী।স্থানীয় গ্রামের বাসিন্দা হীরা বেগম জানায়,“গত বছর ও ভাঙন রোধের অনেক চেষ্টা করা হয়েছে কিন্তু কোন রোধ হয়নি তারপর থেকে বিভিন্ন সময় এমপি,মন্ত্রী,নেতাকর্মী ও ডিসি আসছে কিন্তু কেউ কোন সমাধান বা প্রতিরোধের ব্যাবস্থা নেয়নি।শুধু কথাই দিয়ে যায় কিন্তু কোন কাজ হয়না”।ভাঙন কবলিত ওয়ছেল শিকদার জানান “যেভাবে গত এক সপ্তাহ যাবৎ ভাঙতেছে তাতে যে কোন সময় রাস্তা বিলীন হয়ে যেতে পারে”।
এ ব্যাপারে উক্ত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজাদ খান জানান,“ঢাকা ও ফরিদপুর থেকে পাওবো’র বিভিন্ন কর্মকর্তাগন দফায় দফায় ভাঙন কবলিত স্থান পরিদর্শন করেছেন।তারা এটা নিয়ে ঢাকায় দ্রুত আলোচনা করবেন।তবে খুব দ্রুত ’জিও’ ব্যাগ দিয়ে ভাঙন কবলিত স্থানে বাধ দেওয়া হবে সেটা দু একদিনের মধ্যে হতে পরে।তিনি আরো জানান ৩৩৭ কোটি টাকার স্থায়ী বাঁধ নির্মানের একটি প্রকল্প এ সপ্তাহে পরিকল্পনা মন্ত্রীর নিকট পেশ করা হবে।তিনি অনুমোদন দিলে খুব দ্রুত কাজ শুরু হবে”।
এ ব্যাপারে চরভদ্রাসন উপজেলা র্নিবাহী অফিসার কারুন নাহারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,“পাউবো’র কর্মকর্তরা দফায় দফায় পরিদর্শন করেছে তবে কিভাবে প্রতিরোধ হবে এবং কবে থেকে হবে তা তারাই বলতে পারবে।এ ব্যাপারে তাদের সাথে কথা বলেন।

“ এই নিদানকালে আমাদের পাশে কেউ নাই”-ভাঙন কবলিতদের আকুতি

নিজস্ব প্রতিনিধি-
ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলা সদর ইউনিয়নের বালিয়া ডাঙ্গী গ্রামে রবিবার ভোররাতে পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙনে প্রায় ১০০ মিটার বেড়িবাঁধ সড়ক সহ ৩টি বসতভিটে বিলীন হয়ে গেছে। এরা হলেন-উক্ত গ্রামের আঃ খালেক মন্ডল, নবীন মন্ডল ও আবুল কাশেম মন্ডল। পদ্মা নদীর আকস্মিক ভাঙনের ফলে উক্ত গ্রাম জুড়ে চরম আতংক বিরাজ করছে। অনেক সমর্থবান পরিবার অনত্র জমি কিনে বসতভিটে সরিয়ে নিতে দেখা গেছে। আর হত দরিদ্র পরিবারগুলো নিয়তির দোহাই দিয়ে ভাঙনমুখী পদ্মা পারে পরিবার পরিজন নিয়ে শুধু হতাশা ব্যক্ত করে চলেছে। রবিবার দুপুরে ওই গ্রামের রিক্সা চালক আক্কাস মন্ডল এ প্রতিবেদককে দেখে বলে ওঠেন, “ আর কত ছবি উঠাবেন ভাই, আমাদের দুঃখ কেউ দেখলো না। বছর ভইর‌্যা হুনলাম পদ্মা বানবো, সবাই মিথ্যা কথা কয়, এই নিদানকালে আমাদের পাশে কেউ নাই”। 
তবে ফরিদপুর পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ বলেন,“ চরভদ্রাসন উপজেলা সদরে আড়াই কি.মি. পদ্মা পারে স্থায়ী বাঁধ নির্মানের জন্য ৩৩৭ কোটি টাকার একটি প্রকল্প গত এক সপ্তাহ আগে একনেকে পেশ করা হয়েছে। প্রকল্পটি পাশ হলে আগামী শীত মৌসুমে উপজেলা ভাঙন কবলিত পদ্মা পারে বাঁধ নির্মানের কাজ শুরু হতে পারে”। 
জানা যায়, গত ক’দিন ধরে উপজেরা পদ্মা নদীর পানি আকস্মিক বৃদ্ধি ও খড়ো স্রোত  বইছে। এতে রবিবার ভোররাতে উপজেলা বালিয়া ডাঙ্গী গ্রামের বেড়িবাঁধ সড়কের মাথায় পদ্মা নদীর পাড় ঘেষে এলাকায় খড়ো স্রোত পাকে একের পর এক বসত ভিটেগুলো বিলীন হয়ে যায়। এসব ভিটের উপর বসত ঘরগুলো আগেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল বলেও জানা যায়। এ সময় এলাকাবাসী সৌর চিৎকার করতে থাকলে উক্ত গ্রামের আঃ খালেক মন্ডল, নবীন মন্ডল ও আবুল কাশেম মন্ডলের পরিবারের গাছপালা কাটা সহ বসত ঘর সরিয়ে নেওয়া হয়।

মেহেরপুরে মজুরির দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ মিছিল

মেহের আমজাদ,মেহেরপুর 
মেহেরপুর সদর উপজেলার বুড়িপোতা ইউনিয়নের অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি প্রকল্পের অধীনে কর্মরত শ্রমিকরা তাদের মজুরির দাবিতে মেহেরপুর শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শ্রমিক সরদার ইয়াকুব আলীর নেতৃত্বে প্রায় শতাধিক পুরুষ ও মহিলা শ্রমিক বিক্ষোভ মিছিল করে। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে সদর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। পরে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের কাছে তাদের দাবি জানান। এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাৎক্ষনিক নির্দেশ দিলে তাদের পারিশ্রামিক পরিশোধ করা হয়।
শ্রমিক সরদার ইয়াকুব আলী জানান, প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী প্রতি সপ্তাহে শ্রমিকদের মজুরি পরিশোধ করার নিয়ম। অথচ ২৮ দিন পার হলেও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে স্টাফ সেলিম উদ্দিন গাফিলতি করে মজুরি পরিশোধ করছেন না।